দিল্লি হাই কোর্ট একাধিক চেক বাউন্স মামলায় তাঁর দোষী সাব্যস্ত হওয়ার রায় বহাল রেখে তাঁকে তিন মাসের কারাদণ্ড দিয়েছে। আদালত ট্রায়াল কোর্টের আগের রায় বহাল রাখলেও, সাজা ছয় মাস থেকে কমিয়ে তিন মাস করেছে।
এবার বড়সড় আইনি বিপাকে রাজপাল যাদব। চেক বাউন্স সংক্রান্ত সাতটি মামলায় অভিনেতাকে তিন মাসের কারাদণ্ডের নির্দেশ দিয়েছে দিল্লি হাইকোর্ট। শুক্রবার এই মামলার রায় ঘোষণা করার সময় বিচারপতি স্বর্ণ কান্ত শর্মা অভিনেতার আচরণকে ‘সন্দেহজনক’ বলে আখ্যা দেন এবং তাঁকে আবারও সংশোধনাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। কারাদণ্ডের পাশাপাশি আদালত রাজপাল ও তাঁর স্ত্রীকে মোটা অঙ্কের আর্থিক জরিমানা মেটানোরও নির্দেশ দিয়েছে।
ঘটনার সূত্রপাত ২০১০ সালে। রাজপাল যাদব তাঁর পরিচালিত প্রথম ছবি ‘আতা পাতা লাপাতা’-র জন্য ‘মেসার্স মুরলী প্রজেক্টস প্রাইভেট লিমিটেড’ নামক একটি সংস্থা থেকে ৫ কোটি টাকা ধার নিয়েছিলেন। কিন্তু ছবিটি বক্সঅফিসে মুখ থুবড়ে পড়ে। এরপর থেকেই ঋণ পরিশোধে গড়িমসি শুরু করেন অভিনেতা। দীর্ঘ আইনি লড়াইয়ের মাঝে সুদে-আসলে সেই বকেয়া টাকার পরিমাণ দাঁড়ায় প্রায় ৯ কোটি টাকা।
আদালত স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, অভিনেতা আগে যে ২.২৫ কোটি টাকা মিটিয়েছিলেন, তা বাদ দিয়ে বাকি টাকা হিসাব করা হবে। নতুন নির্দেশ অনুযায়ী, সাতটি মামলার প্রতিটিতে রাজপাল যাদবকে অভিযোগকারী সংস্থাকে ১ কোটি ৫ লক্ষ টাকা এবং আরও ১ কোটি ৪ লক্ষ টাকা করে দিতে হবে। রাজ্যকে দিতে হবে প্রতিটি মামলায় ২৫ হাজার টাকা করে। অভিনেতার স্ত্রী রাধা যাদবকেও প্রতিটি মামলায় অভিযোগকারীকে ৫ লক্ষ ৫১ হাজার ৩৮০ টাকা করে দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
