মুক্তির পর ‘আলফা এক্স’ সোশ্যাল মিডিয়ায় মিশ্র প্রতিক্রিয়ার ঢেউ তুলেছে, যেখানে সিনেমার অ্যাকশন সিকোয়েন্স, গল্প বলার ধরণ এবং সামগ্রিক নির্মাণশৈলী নিয়ে দর্শকরা তীব্রভাবে বিভক্ত। যেখানে দর্শকদের একটি অংশ সিনেমাটির প্রাণবন্ত ভিজ্যুয়াল, দ্রুতগতির কাহিনি এবং দুর্দান্ত অভিনয়ের প্রশংসা করে এর শৈলীকে ব্লকবাস্টার অ্যাকশন সিনেমার সাথে তুলনা করেছেন, সেখানে অন্যরা একটি আকর্ষণীয় কাহিনির পরিবর্তে কেবল জাঁকজমকের ওপর অতিরিক্ত নির্ভর করার জন্য এর সমালোচনা করেছেন। বেশ কিছু ভক্ত সিনেমাটিকে অ্যাড্রেনালিন-পূর্ণ মুহূর্ত এবং চিত্তাকর্ষক নির্মাণশৈলীতে ভরপুর একটি আকর্ষক সিনেম্যাটিক অভিজ্ঞতা হিসেবে বর্ণনা করেছেন, অন্যদিকে সমালোচকরা এর অসম গতি, অনুমানযোগ্য টুইস্ট এবং আবেগের গভীরতার অভাবের কথা উল্লেখ করে এটিকে দেখা কষ্টকর বলে আখ্যা দিয়েছেন। এই বিপরীতমুখী প্রতিক্রিয়াগুলো দ্রুতই ‘আলফা এক্স’-কে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম জুড়ে একটি ট্রেন্ডিং বিষয়ে পরিণত করেছে, যেখানে সিনেমাপ্রেমীরা সক্রিয়ভাবে এর শক্তি ও দুর্বলতা নিয়ে বিতর্ক করছেন। চলচ্চিত্রপ্রেমীরা উল্লেখ করেছেন যে, অ্যাকশন কোরিওগ্রাফি, ভিজ্যুয়াল ইফেক্ট এবং ব্যাকগ্রাউন্ড স্কোরসহ সিনেমাটির কারিগরি দিকগুলো তুলনামূলকভাবে ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া পেয়েছে, এমনকি সেইসব সমালোচকদের কাছ থেকেও যারা চিত্রনাট্য দেখে ততটা মুগ্ধ হননি। চলচ্চিত্র শিল্প পর্যবেক্ষকদের মতে, বড় বাজেটের ছবিগুলোর ক্ষেত্রে এমন মেরুকৃত প্রতিক্রিয়া ক্রমশ সাধারণ হয়ে উঠছে, যেখানে মুক্তির আগে ব্যাপক প্রচার এবং অনলাইন আলোচনার মাধ্যমে দর্শকদের প্রত্যাশা তৈরি হয়। বিভক্ত মতামত থাকা সত্ত্বেও, আলফা এক্স-কে ঘিরে জোরালো আলোচনা সম্ভাব্য দর্শকদের মধ্যে কৌতূহল বাড়াবে বলে আশা করা হচ্ছে এবং এর ফলে উদ্বোধনী সপ্তাহান্তে বক্স অফিসে ভালো দর্শক সমাগম হতে পারে। ছবিটির দীর্ঘমেয়াদী বাণিজ্যিক সাফল্য সম্ভবত আগামী দিনগুলোতে দর্শকদের মুখে মুখে প্রচার এবং তাদের আগ্রহ ধরে রাখার উপর নির্ভর করবে।
‘আলফা এক্স’ অনলাইনে মিশ্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করেছে, অ্যাকশন-প্যাকড থ্রিলারটি নিয়ে ভক্তরা বিভক্ত
