রণবীর সিং: আউটসাইডার থেকে বলিউডের ‘ম্যাজিক ম্যান’

পরিশ্রম, প্রতিভা ও সাহসী চরিত্রে গড়া এক তারকার সাফল্যের গল্প

বলিউডে নিজের আলাদা পরিচয় তৈরি করা সহজ নয়, বিশেষ করে যদি কেউ ইন্ডাস্ট্রির বাইরের মানুষ হন। কিন্তু Ranveer Singh সেই কঠিন পথটাই বেছে নিয়ে আজ হয়ে উঠেছেন ইন্ডাস্ট্রির অন্যতম জনপ্রিয় অভিনেতা।
২০১০ সালে Band Baaja Baaraat ছবির মাধ্যমে তাঁর অভিষেক হয়। ‘বিট্টু শর্মা’ চরিত্রে প্রাণবন্ত অভিনয় করে প্রথম ছবিতেই দর্শক ও সমালোচকদের মন জয় করেন তিনি। এই ছবির জন্যই তিনি প্রথম ফিল্মফেয়ার পুরস্কার পান, যা তাঁর কেরিয়ারের শক্ত ভিত গড়ে দেয়।
এরপর একের পর এক ভিন্নধর্মী চরিত্রে অভিনয় করে নিজের দক্ষতা প্রমাণ করেছেন রণবীর। Bajirao Mastani-এ পেশোয়া বাজিরাওয়ের চরিত্রে তাঁর রাজকীয় উপস্থিতি ও শক্তিশালী অভিনয় তাঁকে সেরা অভিনেতার সম্মান এনে দেয়।
আবার Padmaavat ছবিতে আলাউদ্দিন খিলজির মতো নেতিবাচক চরিত্রে তাঁর অভিনয় দর্শকদের অবাক করে দেয়। এই চরিত্রে তাঁর রূপান্তর ও অভিনয়শৈলী সমালোচকদের প্রশংসা কুড়িয়েছে এবং তিনি ‘ক্রিটিকস চয়েস’ পুরস্কারও জিতেছেন।
একইভাবে Gully Boy-এ মুম্বইয়ের এক স্ট্রাগলিং র‍্যাপারের ভূমিকায় অভিনয় করে তিনি নতুন প্রজন্মের আইকন হয়ে ওঠেন। “আপনা টাইম আয়েগা” সংলাপটি সারা দেশে জনপ্রিয় হয়ে যায় এবং এই ছবির জন্য তিনি আবার সেরা অভিনেতার পুরস্কার পান।
কিংবদন্তি ক্রিকেটার Kapil Dev-এর জীবনীভিত্তিক ছবি 83-তেও তাঁর অভিনয় ব্যাপক প্রশংসিত হয়। সেখানে তিনি ১৯৮৩ সালের বিশ্বকাপ জয়ের মুহূর্তকে জীবন্ত করে তুলেছিলেন।
বর্তমানে ‘ধুরন্ধর ২’-এর মতো নতুন প্রজেক্টে কাজ করছেন রণবীর, যেখানে তিনি আরও এক নতুন চরিত্রে নিজেকে উপস্থাপন করতে চলেছেন।
সব মিলিয়ে, গত দেড় দশকে রণবীর সিং প্রমাণ করেছেন যে কঠোর পরিশ্রম, আত্মবিশ্বাস এবং ভিন্নধর্মী চরিত্র বেছে নেওয়ার সাহস থাকলে বলিউডে সফল হওয়া সম্ভব। তাঁর এই যাত্রা নতুন প্রজন্মের অভিনেতাদের জন্য এক বড় ।

By nanika