ঢাকে কাঠি পড়ে গিয়েছে। গণেশচতুর্থী থেকেই উৎসবের আবহ। আর সেই আবহেই এ বারও জমজমাট আয়োজন হয়েছিল অভিনেতা-সাংসদ দেবের বাড়িতে। পুজোর সকালে আরতির থালা হাতে দেখা গিয়েছিল নায়ককে।
সন্ধ্যা নামতেই অবশ্য অধিকারীবাড়িতে বসেছিল চাঁদের হাট। এসেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী, বিজেপির শীর্ষস্থানীয় নেতা তথা কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার-সহ অনেকেই।
এক দিকে রাজনৈতিক মহলের ‘হেভিওয়েট’ ব্যক্তিত্বেরা, অন্য দিকে টলিপাড়ার চেনা মুখ। অতিথি আপ্যায়নে ব্যস্ত দেবের পাশে ছিলেন তাঁর মা-বাবাও। এমনকি, নিজের হাতে অতিথিদের প্রসাদ বিতরণ করতেও দেখা যায় তাঁকে।
মঙ্গলবার সন্ধ্যায় তৈরি হয়েছিল বেশ কিছু বিশেষ মুহূর্ত। নিজের মায়ের সঙ্গে মুখ্যমন্ত্রীর আলাপ করিয়ে দেন দেব। দু’জনের সাক্ষাৎ ঘিরে স্বাভাবিক ভাবেই তৈরি হয় আলাদা আবহ। মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে সময় কাটিয়ে খুশি নায়ক। অনুষ্ঠানের পর শুভেন্দু অধিকারীকে ধন্যবাদ জানাতে ভোলেননি তিনি। এই ‘সৌজন্য’ সাক্ষাৎ নিয়ে নানা ধরনের আলোচনা শুরু হলেও, এই দিন সন্ধ্যায় তৈরি হয়েছিল এক উদ্যাপনের পরিবেশ।
দেবের বাইপাস সংলগ্ন বাড়িতে সকালেই ঘুরে গিয়েছিলেন বিজেপি নেতা সুকান্ত মজুমদার। পরে সন্ধ্যায় একে একে হাজির টলিপাড়ার বহু পরিচিত মুখ। প্রতি বছরের মতো এ বারও নিজের ঘনিষ্ঠ বন্ধুদের আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন দেব। ফলে রাজনীতির আনুষ্ঠানিকতার পাশাপাশি এ দিনের আসরে ছিল বন্ধুত্ব আর আড্ডার উষ্ণতাও।
চলছে ছবির প্রচারপর্ব। তার মধ্যেও ভাইয়ের বাড়ির পুজোয় উপস্থিত হন অভিনেতা প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়। ছিলেন প্রযোজক অতনু রায়চৌধুরী। মঙ্গলবার সাদা পাজামা-পাঞ্জাবিতে সেজেছিলেন দেব। তাঁর নায়িকাদের উপস্থিতিও সন্ধ্যার জৌলুস বাড়িয়ে দেয়। নীল শাড়ি ও মানানসই গয়নায় হাজির হয়েছিলেন জ্যোতির্ময়ী কুণ্ডু। এসেছিলেন ইশা সাহা, প্রিয়াঙ্কা সরকার এবং লহমা ভট্টাচার্যও।
পুজোর আচার থেকে অতিথি আপ্যায়ন— এই সবকিছু আয়োজনের কেন্দ্রে দেব। রাজনীতি আর বিনোদন— দুই জগতের বেশকিছু পরিচিত মুখ নিয়ে তাঁর বাড়ির গণেশপুজোর সন্ধ্যা যে জমজমাট হবে সেটাই স্বাভাবিক। খাওয়াদাওয়া, আড্ডা আর শুভেচ্ছায় উৎসবের আমেজ আরও খানিকটা বাড়িয়ে দেয় অধিকারীবাড়িতে।
