‘আমিরই আমাদের আলাদা করে দিয়েছেন’, কোন আক্ষেপের কথা প্রকাশ্যে বললেন প্রীতি?

পঁচিশ বছর আগে তিন বন্ধুর গল্প বলেছিল ‘দিল চাহতা হ্যায়’। সময়ের সঙ্গে আকাশ, সমীর আর সিদ্ধার্থ নিজেদের পথে এগিয়ে গিয়েছে, কিন্তু ছবির বন্ধুত্বটা থেকে গিয়েছে একই জায়গায়। সেই বন্ধুত্বের ২৫ বছর পূর্তি উদ্‌যাপন হল। কিন্তু শামিল হতে পারলেন না প্রীতি জ়িন্টা।

ছবির ২৫ বছর পূর্তি উপলক্ষে যখন সহ-অভিনেতারা আবার একসঙ্গে, তখন প্রীতি ব্যস্ত তাঁর নতুন ছবি ‘বঁটওয়ারা ১৯৪৭’-এর প্রচারে। সেই ছবির সঙ্গেও আবার জড়িয়ে আমির। তিনি এই ছবির প্রযোজক। তাই সকলের সামনে অভিনেত্রীর রসিক মন্তব্য, ‘‘আমির আমাদের আলাদা (বঁটওয়ারা) করে দিয়েছেন। ছবি আসছে, তাই প্রচারে বেরোতেই হত।’’

এক দিকে পুরনো ছবির স্মৃতি, অন্য দিকে দীর্ঘ বিরতির পর বড়পর্দায় ফেরার উত্তেজনা— এই দুইয়ের মাঝে দাঁড়িয়ে প্রীতি। ‘দিল চাহতা হ্যায়’-এর ২৫ বছরের অনুষ্ঠানে থাকতে না পারায় যে তাঁর আক্ষেপ রয়েছে, তা-ও স্পষ্ট। পুরনো দিনের স্মৃতি ভাগ করে নেওয়ার ইচ্ছে ছিল তাঁর। কিন্তু কাজের ব্যস্ততায় সেই সুযোগ হয়নি।

তবে ২৫ বছর আগের সেই ছবির প্রসঙ্গ উঠতেই প্রীতির কথায় অন্য রকম উষ্ণতা। ‘দিল চাহতা হ্যায়’ তাঁর অভিনয়জীবনের স্মরণীয় ছবি— এ কথা অকপটে জানিয়েছেন তিনি। শুধু তা-ই নয়, আমিরের সঙ্গে আবার কাজ করার ইচ্ছাও রয়েছে তাঁর। অভিনেত্রী জানিয়েছেন যে, ভবিষ্যতে আমিরের সঙ্গে এমন কোনও ছবিতে আবার একসঙ্গে কাজ করতে চান, যেটি তাঁদের দু’জনের জন্যই স্মরণীয় হয়ে থাকবে।

অভিনেত্রীকে দর্শক এক সময় ‘দিল চাহতা হ্যায়’-এর উজ্জ্বল, প্রাণবন্ত শালিনীর চরিত্রে দেখেছিলেন। তিনিই প্রায় আট বছর পর আবার বড়পর্দায়। শেষ বার তাঁকে দেখা গিয়েছিল ‘ভাইয়াজি সুপারহিট’ ছবিতে। ফলে পুরনো স্মৃতির দরজা খুলতেই সামনে এসে পড়েছে নতুন অধ্যায়। ২৫ বছর আগের ‘দিল চাহতা হ্যায়’ যদি প্রীতির কেরিয়ারের একটি মাইলফলক হয়, অভিনেত্রীর বিশ্বাস, ‘বঁটওয়ারা ১৯৪৭’ও তেমনই একটি গুরুত্বপূর্ণ ছবি হয়ে উঠবে।

২০০১ সালের এই ছবি তিন বন্ধুর আলাদা হয়ে যাওয়ার গল্প বলেছিল। ২০২৬-এ তার রজতজয়ন্তীর পুনর্মিলনেও প্রীতি রয়ে গেলেন দূরে। তবে এ বার বন্ধুত্ব ভাঙেনি— শুধু কাজের কারণে তাঁদের সঙ্গে যোগ দিতে পারেননি। আর সেই ‘বিচ্ছেদ’-এর দায়ও তিনি হাসতে হাসতে চাপিয়ে দিলেন আমিরের ঘাড়েই।

By Paromita