তেলুগু ছবিতে আত্মপ্রকাশ করতে চলেছেন অক্ষয় খন্না। ‘মহাকালী’-র প্রথম ঝলক প্রকাশ্যে আসতেই তা ঘিরে শুরু হয়েছে জোরদার আলোচনা। ছবিতে পৌরাণিক সুপারহিরো অ্যাকশন ঘরানায় প্রথমবার দেখা যাবে অভিনেতাকে। তিনি অভিনয় করছেন পুরাণকথিত ঋষি শুক্রাচার্যের চরিত্রে, যাঁর সঙ্গে ছবির মুখ্য চরিত্র ভূমি শেট্টীর চরিত্রের সংঘাত রয়েছে।
সম্প্রতি ‘মহাকালী’-র ঝলক প্রকাশ্যে এসেছে। ছবিটি কেন অক্ষয়কে আকৃষ্ট করল, সেটিও এখন কৌতূহলের বিষয়। বিশেষ করে ‘ধুরন্ধর’ এবং ‘ছাওয়া’-র সাফল্যের পর তাঁর পারিশ্রমিক নিয়ে আলোচনা চলছিল। শোনা যায়, এখন প্রতি ছবির জন্য তিনি ২১ কোটি করে পারিশ্রমিক চাইছেন। পারিশ্রমিক এবং তাঁর ‘লুক’ নিয়ে মতপার্থক্যের জেরে নাকি ‘দৃশ্যম ৩’ থেকে সরে দাঁড়ান অক্ষয়।
তবে শুক্রাচার্যের চরিত্রটি অক্ষয়কে আলাদা ভাবে আকৃষ্ট করেছিল বলে জানা যায়। ছবির ঘনিষ্ঠ সূত্র এক বার জানায়, বরাবরের মতোই নিজের কাজ বেছে নেওয়ার ক্ষেত্রে অত্যন্ত খুঁতখুঁতে অক্ষয় এই চরিত্রটি নিয়ে আগ্রহী হয়ে পড়েন। হিন্দু পুরাণে শুক্রাচার্য ছিলেন মহাঋষি এবং অসুর, দৈত্য-দানবদের গুরু। দেবতাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধে অসুরদের পরামর্শদাতাও ছিলেন শুক্রাচার্য। তাঁর অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ক্ষমতা ছিল মৃত অসুরদের পুনরুজ্জীবিত করা।
অন্য দিকে, মা কালীর ভূমিকা ছিল অসুরবাহিনীকে ধ্বংস করা। ফলে কাহিনিতে শুক্রাচার্য এবং মহাকালী স্বাভাবিক ভাবেই একে অপরের শত্রু। তবে ছবিতে শুক্রাচার্য শুধুমাত্র ‘খল’চরিত্র নন। ভারতীয় পুরাণে তিনি অত্যন্ত জ্ঞানী এক ঋষি হিসাবেও পরিচিত। এই জটিলতা এবং নৈতিক দিক থেকে ধূসর চরিত্রই অক্ষয়কে আকৃষ্ট করেছিল বলে জানায় সূত্র।
